নিপেন্দ্র নারায়ণ বেঙ্গলি হলে বিনামূল্যে স্বাস্থ্য শিবির
নিউজ বাংলা লাইভ : কলকাতার বিখ্যাত হাসপাতাল ইনস্টিটিউট অফ নিউরো সাইন্স এবং ভোজপুরি সমাজ দার্জিলিং এর যৌথ উদ্যোগে আজ নিপেন্দ্র নারায়ন বেঙ্গলি হলে একটি বিনামূল্য স্বাস্থ্য শিবিরের আয়োজন করা হয়েছিল।

কলকাতার বহুল পরিচিত চিকিৎসক ডা: অনিন্দ বাসু এই শিবিরে উপস্থিত ছিলেন।বহু রোগী আজ এই শিবিরে উপস্থিত হয়। যারা স্নায়ু রোগে ভুগছেন তারা পরিষেবা নিলেন।এই শিবির শুরু হয়েছিল সকালে ও শেষ হয় বিকেল চারটেতে।শুভময় চ্যাটার্জি দার্জিলিং এর বাসিন্দা ও সমাজকর্মী তিনি মারাত্মক স্নায়ুবিক রোগে ভুগছিলেন স্পাইনাল সমস্যা ছিল তিনি কলকাতায় এই বিখ্যাত হাসপাতালে দেখিয়ে আজ তিনি সুস্থ। তিনি জানালেন তার সমস্যার কথা এবং কিভাবে সুস্থ হয়েছেন সেটাও জানালেন। আজকের এই শিবিরে বিশেষ করে ভিজেনারেটিভ নিউরো ডিসঅর্ডার,স্লিপ ডিক্স,সারভাইকল মাইলোপ্যাথি,প্রবীণ মানুষদের রোগ স্কেলিওসিস,কনজিনেটাল স্পাইনাল ডিসঅর্ডার রোগে যারা ভুগছেন তাদের দেখলেন এবং যথাসাধ্য ওষুধ পত্র লিখে দিলেন।ইনস্টিটিউট অফ নিউরো সাইন্স কোলকাতা পূর্ব ভারতের একমাত্র সুপার স্পেশালিটি নিউরো সাইন্স হাসপাতাল প্রখ্যাত স্পাইন সার্জন ডা: অনিন্দ্য বসু , ডিজেনেরিটিভ নিউরোলজিক্যাল এবং স্পাইনাল ব্যাধির সমাধান করে চলেছেন দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে।দার্জিলিং শহরের বা তার আশেপাশে বহু মানুষ রয়েছেন নিউরোলজিক্যাল ডিজেনারিটিভ এবং স্পাইনাল সমস্যায় ভুগছেন দার্জিলিং সরকারি হাসপাতালে সামান্য ব্যবস্থা থাকলেও বেসরকারিভাবে দার্জিলিং জুড়ে এই ধরনের পরিষেবা দেওয়ার মতো কোনো ব্যবস্থা নেই । দীর্ঘদিন ধরে এই সমস্যায় ভুগছেন তাদের জন্য আজ সামান্য আশার আলো দেখতে পাওয়া গেল।

শ্রী শুভময় চ্যাটার্জী একজন সমাজ কর্মী তারই উদ্বেগে আজ দার্জিলিংয়ের মানুষ সামান্য হলেও বিনামূল্যে পরিষেবা পেলেন।আজকের শিবিরে উপস্থিত ছিলেন ভোজপুরি সমাজের পক্ষ থেকে লাল বাহাদুর প্রসাদ, সরন গুপ্ত, এবং চন্দন সিং এ ছাড়া কলকাতার নিউরোসায়েন্স ইনস্টিটিউটের অ্যাসিস্ট্যান্ট ম্যানেজার পার্থসখা দাস।দার্জিলিংর প্রবীণ মানুষদের জন্য অতি সম্প্রতি একটি কেয়ার ইউনিট খোলা হয়েছে এখানে প্রবীণ মানুষরা তাদের স্বাস্থ্যপরিসেবা পেতে পারেন।আগামী দিনে দার্জিলিংএর প্রবীণ মানুষদের জন্য জেরিয়াট্রিক নিউরো ডিজঅডার, স্ট্রোক রিহাবিলিটেশন ও ডিমেনশিয়া কেয়ার গ্রিভিং পরিষেবা চালু করা হবে বলে জানতে পারা গেল। আজকের এই শিবিরে প্রায় ২০০ জন উপস্থিত হয়েছিলেন নৃপেন্দ্র নারায়ণ বেঙ্গলি হলে।


