এবার ছাত্রীকে শ্লীলতাহানি! কাঠগড়ায় পুরসভার এক অস্থায়ী কর্মী
নারী নিরাপত্তার দাবিতে এবং নারী নির্যাতনের প্রতিরোধে দলমত নির্বিশেষে রাস্তায় নেমেছেন সকলে। বিভিন্ন দল নির্বিশেষে চলছে প্রতিরোধ প্রতিবাদ।। কিন্তু প্রতিবাদ করলেই কি কমবে? অশ্লীলতার মুর্ত পরিসংখ্যান। সর্ষের মধ্যেই ভূত নেই তো। প্রকাশ্য দিবালোকে বালুরঘাট শহরে টিউশন পড়তে আসা ১ আদিবাসী কলেজ ছাত্রীর শ্লীলতা হানির অভিযোগ। অভিযোগ উঠেছে পৌরসভার এক অস্থায়ী কর্মীর বিরুদ্ধে। মঙ্গলবার দুপুরে ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার বালুরঘাট শহরের ১১ নম্বর ওয়ার্ডে।
খবর পেয়ে তড়িঘড়ি ছুটে আসেন বালুরঘাট পুরসভার এমআইসি বিপুল কান্তি ঘোষ। ওই যুবককে টেনে চড়ও কষিয়ে দেন তিনি। এরপরেই খবর দেওয়া হয় বালুরঘাট থানার পুলিশকে। এই ঘটনায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ওই কলেজ ছাত্রী। জানা গিয়েছে অভিযুক্ত যুবকের বাড়ি বালুরঘাট শহরে উপকণ্ঠে। এদিকে উক্ত ছাত্রীর বাড়ি হিলি এলাকায় তিনি বালুরঘাট কলেজের পাঠরত। জানা গিয়েছে ঘটনার সূত্রপাত ফোন নিয়ে। টিউশন থেকে একাই বাড়িতে ফিরছিলেন ওই যুবতী। রাস্তায় নিকাশির কাজ করছিলেন ওই অস্থায়ী কর্মী। যুবতীর কাছে ফোন চাইতেই তা দিতে অস্বীকার করায় তার শরীরের বিভিন্ন অঙ্গে স্পর্শ করতে শুরু করেন অভিযুক্ত বলে অভিযোগ।
এমনকি অকথ্য ভাষায় গালিগালাজও করেন। যুবতী চিৎকার করতেই ছুটে পালানোর চেষ্টা করেন ওই যুবক। তবে শেষ পর্যন্ত জনতা ও পুলিশের হাতে ধরা পড়তে হয় তাকে। এই ঘটনায় দোষীকে উপযুক্ত শাস্তি দেওয়া হবে বলে আশ্বস্ত করেছেন ডিএসপি হেডকোয়ার্টার বিক্রম প্রসাদ।

