খেজুরিপূর্ব মেদিনীপুর

নীল হেলমেটের সূত্র ধরেই খেজুরিতে যুবক খু*নের কিনারা পুলিশের

নীল হেলমেটের সূত্র ধরেই খেজুরিতে যুবক খু*নের কিনারা পুলিশের

নিজস্ব: প্রতিনিধি খেজুরি পূর্ব মেদিনীপুর

 কেবল একটি নীল হেলমেট, আর তাতেই যুবক খু**নের রহস্য উদঘাটন করে অপরাধীদের গ্রপ্তার করে কার্যত সফল হল খেজুরী থানার পুলিশ। মৃত**দেহের কিছুটা দূরে একটি নীল হেলমেট আর সিসিটিভি ফুটেজের সূত্র ধরে খেজুরীতে যুবক খু*নের রহস্যের কিনারা করল পুলিশ। গত ১৪ ডিসেম্বর খেজুরিতে ধানজমি থেকে যুবকের মৃত**দেহ উদ্ধারে রহস্য ঘনীভূত হয়। খেজুরি থানার বীরবন্দর গ্রাম  পঞ্চায়েতের অজয়া এলাকায় রাস্তার পাশে ধানের জমিতে এক যুবকের দেহ উদ্ধারের ঘটনায় রীতিমতো চাঞ্চল্য ছড়াল। মৃতের নাম পরিমল জানা (২৭)। বাড়ি হেঁড়িয়ার কৃষ্ণনগর এলাকায়। এদিন জলকাদায় ভরা জমিতে যুবকের মৃত**দেহ পড়ে থাকতে দেখতে পায় স্থানীয় বাসিন্দারা। এদিন সাতসকালে দেহটি ধানজমিতে পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয় বাসিন্দারা। হেঁড়িয়া ফাঁড়িতে খবর দেওয়া হলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দেহ উদ্ধার করে। দেহের কাছ থেকে হেলমেট, জুতো, মেয়েদের কানের দুল, একটি সুগন্ধির বোতল পাওয়া যায়। প্রথমে পরিচয় না পাওয়া গেলেও পরে বাড়ির লোকজন হেঁড়িয়া ফাঁড়িতে যোগাযোগ করলে ওই যুবকের পরিচয় সামনে আসে। তাঁকে খুন করে পাঁকে মুখ পুঁতে দেওয়া হয়েছে বলেও স্থানীয় মানুষজন এমনটাই অভিযোগ করেন। পুলিশের অনুমান, ওই যুবকের কিছুটা মানসিক সমস্যা ছিল। এক বছর আগে বিয়ে করেছিলেন। বাড়িতে অশান্তি করায় তাঁর স্ত্রী বাপেরবাড়ি চলে যান।  শনিবার রাতে ওই এলাকায় গিয়েছিলেন পরিমল। সেইসময় অন্ধকারে কোনওভাবে ধানজমির পাঁকে পড়ে তাঁর মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে। তবে অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করে ঘটনার তদন্ত শুরু করে পুলিশ। ওই যুবকের বাইক ছিল না। কৃষ্ণনগর থেকে প্রায় বার কিলোমিটার দূরে অবস্থিত অজয়া। কেন এতদূরে এলেন পরিমল, কেনই বা সঙ্গে হেলমেট বা অন্যান্য জিনিস পাওয়া গেল, তা পুলিশকে খুবই ভাবাচ্ছিল। তবে পুলিশের দাবি, মৃত যুবকের দেহে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। তদন্তে নেমে খেজুরী থানার পুলিশ নীল হেলমেট ও সিসিটিভির সূত্র ধরে ৭দিনের মাথায় খু*নে জড়িত  ২ জনকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তার হওয়া ২জন নিহতের নিকট আত্মীয় বলে জানা যায়। তারা পরিমলকে  শ্বাসরোধ করে খু**ন করেছে বলে পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছে। ধৃতদের আজ আদালতে তোলা হলে বিচারক ৫ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেয়। তবে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পেলে মৃত্যুর কারণ সঠিকভাবে বলা সম্ভব হবে বলে জানান পূর্ব মেদিনীপুর জেলার পুলিশ সুপার মিতুন কুমার দে

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *