Breakingনন্দীগ্রামপূর্ব মেদিনীপুর

ভারতীয়,সেইসঙ্গে প্রাক্তন সেনা কর্মী !! তাকেও প্রমাণ করাতে হচ্ছে তিনি ভারতীয়!!! শুভেন্দুর নিজের বুথেই  SIR গেরোয় নাজেহাল নন্দীগ্রামের দুই সেনা

ভারতীয়,সেইসঙ্গে প্রাক্তন সেনা কর্মী !! তাকেও প্রমাণ করাতে হচ্ছে তিনি ভারতীয়!!! শুভেন্দুর নিজের বুথেই  SIR গেরোয় নাজেহাল নন্দীগ্রামের দুই সেনা

নিজস্ব :প্রতিনিধি নন্দীগ্রাম পূর্ব মেদিনীপুর

পরিবারের সবার ভোটার লিস্টে নাম উঠেছে কিন্তু পরিবারের প্রধানদেরই নাম উঠেনি।শুভেন্দু অধিকারীর নির্বাচনী কেন্দ্র নন্দীগ্রাম তারই নির্বাচনী বুথ নন্দনায়েকবার ৭৯ নম্বর বুথে ৭১১ ভোটারের মধ্যে ১১ জনের নাম বাদ গেছে। এই ১১ জনের মধ্যে কেউ মৃত বা কেউ ভোটার লিস্টের নাম তোলেন নি।

বাকি ৭০০ জনের মধ্যে ৪ জনকে আবার হেয়ারিং এর জন্য ডাকা হয়েছে।

BLO সূত্রে জানা গেছে এই চারজনের সঙ্গে তাদের বাবার লিংক পাওয়া যাচ্ছে না। অর্থাৎ ২০০২ সালে এদের কারোর বাবার নাম নেই।অথচ যাদের নাম ওঠেনি তাদের ছেলেমেয়েদের নাম ভোটার লিস্টে উঠে গেছে।

প্রদীপ জানা এবং প্রদীপ প্রধান দুজনেই প্রাক্তন সেনা কর্মী। দুই সে প্রাক্তন সেনাকর্মীদেরও হেয়ারিং এর জন্য ডাকা হয়েছে। তারা ভারতীয় কিনা প্রমাণ করাতে পারলেই ভোটার লিস্টে নাম উঠবে।

প্রদীপ প্রধান যখন ১০ বছর বয়সী ছিলেন তখন তার বাবা ও মা দুজনেই মারা যান।তিনি আবার ১৯৯৪ সালে সেনা বিভাগে যোগ দেন। তৎকালীন সময়ে যেহেতু সেনা বিভাগের কর্মীরা ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারতেন না যেহেতু ২০০২ সালে ভোটার লিস্টে তার নাম নেই।

২০১৯ এ ও ২৩ সে তিনি দুবার ভোট দিয়েছেন।

আরো একজন সন্তোষ রানা পেশায় টোটো চালক।তাকেও পুনরায় হেয়ারিংয়ের জন্য ডাকা হয়েছে।

সন্তোষ রানার স্ত্রী সীমা রানা তিনি বেজায় চটে গিয়েছেন।। তিনি অভিযোগ করেছেন,

তার স্বামী সন্তোষ রানা, আজ থেকে ৩০ বছর আগে উত্তর প্রদেশ থেকে নন্দীগ্রামে এসেছিলেন এখানে এসে তাকে বিয়ে করেছেন। এখানে তাদের ছেলে-মেয়ে সংসার। টোটো চালিয়ে দিন যাপন করে।

উত্তরপ্রদেশ থেকে চলে আসার পরে উত্তরপ্রদেশে ভোটার লিস্টে তাদের নাম কাটিয়ে নন্দীগ্রামের ভোটার লিস্টে নাম তুলেছিলেন।

তার স্বামীকেও এখন প্রমাণ করাতে হবে তিনি ভারতীয়।

শুভেন্দু অধিকারীর নিজের বুথে ভারতীয় প্রমাণ করাতে গিয়ে নাজেহাল ভারতীয় ভোটারেরা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *