জেলাপূর্ব মেদিনীপুররামনগর

ইয়াস ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে কাজলা জনকল্যাণ সমিতি:

নিজস্ব প্রতিনিধি , রামনগর , ইয়াস ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে কাজলা জনকল্যাণ সমিতি: পূর্ব মেদিনীপুর জেলার ঘূর্ণিঝড় “ইয়াস” ও সামুদ্রিক জলোচ্ছ্বাসে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে কাজলা জনকল্যাণ সমিতি, জাতীয় স্তরের সেচ্ছাসেবী সংগঠন “ইউনিসেফ ও ” ক্যাশা,। বেশ কয়েক বছর ধরে সমুদ্র তীরবর্তী এলাকায় ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাস এর ফলে জনজীবন ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এবছর ও কোভিড মহামারীর আতঙ্ক তার উপর যশের আঘাতে স্বাভাবিক জীবনযাপন ব্যাহত হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে কাজলা জনকল্যাণ সমিতি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়িয়েছে ।এই কর্মযজ্ঞে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন জাতীয় স্তরের সংস্থা “ইউনিসেফ” ও “ক্যাশা,” ।পূর্ব মেদিনীপুর জেলার রামনগর -১ ব্লকের তালগাছাড়ী -১ গ্রাম পঞ্চায়েতের ৬টি গ্রামের ২৮৬ পরিবারকে স্বাস্থ্য ও আশ্রয় কিট আজ ২০/১১/২১ তারিখে রামনগর রাও হাই স্কুল মাঠে তুলে দেওয়া হয়। স্বাস্থ্য কিটের ও আশ্রয় কিটের মধ্যে ছিল বালতি-১, মগ-১, সাবান-৫, রিন সাবান-৪, স্যানিটারি ন্যাপকিন-৪, স্যানিটারি প্যাড-৪, ও. আর.এস,-৬,ডি.সি.সি. ট্যাবলেট-৬, চিরুনি-১ নেলকাটার-১, স্যানিটাইজার-৩, কাপড়ের ম্যাক্স-৬, জেরিকান-১, ও ট্রিপল-১। ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের মৎস্য মন্ত্রী অখিল গিরি, রামনগর-১ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি শম্পা মহাপাত্র, তালগাছাড়ী ১ পঞ্চায়েতের প্রধান মিনু রানী মহাপাত্র, কাজলা জনকল্যাণ সমিতির সহ সভাপতি মাননীয় জনাব আকবর আলি খান, সাধারণ সম্পাদক স্বপন পন্ডা, কোষাধ্যক্ষ প্রণয় কুমার পাল, রাজকুমার দাস প্রমূখ। মৎস্য মন্ত্রী অখিল গিরি মহাশয় কাজলা জনকল্যাণ সমিতি ও জাতীয় স্তরের সংস্থা ” ইউনিসেফ” ও “ক্যাশা”কে এই উদ্যোগের জন্য সাধুবাদ জানিয়ে বলেন কাজলা জনকল্যাণ সমিতি বিগত দিনেও রামনগরে-১ ও ২ ব্লকে দুর্গতদের পাশে দাঁড়িয়েছে। এবারেও বিধ্বংসী জলোচ্ছ্বাসের ও যশের ফলে তিন দিন ধরে রামনগর ১ তালগাছারি -১ ,২ ও রামনগর ২ ব্লকের কালিন্দী গ্রাম পঞ্চায়েতের মোট ২০০০ পরিবারের জন্য ত্রাণ দিচ্ছেন। সমিতির সাধারণ সম্পাদক স্বপন পন্ডা মহাশয় বলেন এই দুঃসময়ে আমাদের আপনাদের পাশে দাড়ানোর সুযোগ করে দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ, আমরা ত্রাণ দিতে আসিনি আমরা শুধু মাত্র মাধ্যম। জাতীয় স্তরের সংস্থা ইউনিসেফ ও ক্যাসা কে মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং স্থানীয় পঞ্চায়েতের পদাধিকারীদের ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।পূর্ব মেদিনীপুর জেলার ঘূর্ণিঝড় “ইয়াস” ও সামুদ্রিক জলোচ্ছ্বাসে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে কাজলা জনকল্যাণ সমিতি, জাতীয় স্তরের সেচ্ছাসেবী সংগঠন “ইউনিসেফ ও ” ক্যাশা,। বেশ কয়েক বছর ধরে সমুদ্র তীরবর্তী এলাকায় ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাস এর ফলে জনজীবন ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এবছর ও কোভিড মহামারীর আতঙ্ক তার উপর যশের আঘাতে স্বাভাবিক জীবনযাপন ব্যাহত হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে কাজলা জনকল্যাণ সমিতি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়িয়েছে ।এই কর্মযজ্ঞে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন জাতীয় স্তরের সংস্থা “ইউনিসেফ” ও “ক্যাশা,” ।পূর্ব মেদিনীপুর জেলার রামনগর -১ ব্লকের তালগাছাড়ী -১ গ্রাম পঞ্চায়েতের ৬টি গ্রামের ২৮৬ পরিবারকে স্বাস্থ্য ও আশ্রয় কিট আজ ২০/১১/২১ তারিখে রামনগর রাও হাই স্কুল মাঠে তুলে দেওয়া হয়। স্বাস্থ্য কিটের ও আশ্রয় কিটের মধ্যে ছিল বালতি-১, মগ-১, সাবান-৫, রিন সাবান-৪, স্যানিটারি ন্যাপকিন-৪, স্যানিটারি প্যাড-৪, ও. আর.এস,-৬,ডি.সি.সি. ট্যাবলেট-৬, চিরুনি-১ নেলকাটার-১, স্যানিটাইজার-৩, কাপড়ের ম্যাক্স-৬, জেরিকান-১, ও ট্রিপল-১। ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের মৎস্য মন্ত্রী অখিল গিরি, রামনগর-১ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি শম্পা মহাপাত্র, তালগাছাড়ী ১ পঞ্চায়েতের প্রধান মিনু রানী মহাপাত্র, কাজলা জনকল্যাণ সমিতির সহ সভাপতি মাননীয় জনাব আকবর আলি খান, সাধারণ সম্পাদক স্বপন পন্ডা, কোষাধ্যক্ষ প্রণয় কুমার পাল, রাজকুমার দাস প্রমূখ। মৎস্য মন্ত্রী অখিল গিরি মহাশয় কাজলা জনকল্যাণ সমিতি ও জাতীয় স্তরের সংস্থা ” ইউনিসেফ” ও “ক্যাশা”কে এই উদ্যোগের জন্য সাধুবাদ জানিয়ে বলেন কাজলা জনকল্যাণ সমিতি বিগত দিনেও রামনগরে-১ ও ২ ব্লকে দুর্গতদের পাশে দাঁড়িয়েছে। এবারেও বিধ্বংসী জলোচ্ছ্বাসের ও যশের ফলে তিন দিন ধরে রামনগর ১ তালগাছারি -১ ,২ ও রামনগর ২ ব্লকের কালিন্দী গ্রাম পঞ্চায়েতের মোট ২০০০ পরিবারের জন্য ত্রাণ দিচ্ছেন।
সমিতির সাধারণ সম্পাদক স্বপন পন্ডা মহাশয় বলেন এই দুঃসময়ে আমাদের আপনাদের পাশে দাড়ানোর সুযোগ করে দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ, আমরা ত্রাণ দিতে আসিনি আমরা শুধু মাত্র মাধ্যম। জাতীয় স্তরের সংস্থা ইউনিসেফ ও ক্যাসা কে মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং স্থানীয় পঞ্চায়েতের পদাধিকারীদের ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *