সন্দেশখালির পথে আটক ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিম
রাজ্য: পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে ২১ দিনের মাথায় সন্দেশখালিতে পৌঁছানোর চেষ্টা করেন ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটির প্রতিনিধি দল। শনিবারই বিকেলে তাঁরা দিল্লি থেকে কলকাতায় আসেন। রবিবার সকালে তারা হাইওয়ে ধরে সন্দেশখালি যাওয়ার জন্য হোটেল থেকে বেরোলে ভোজেরহাটেই আটকে দেয় পুলিশ। এরপর পুলিশের সঙ্গে ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটির প্রতিনিধিদের বচসা শুরু হয়। ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটির সদস্যদের অভিযোগ, সন্দেশখালিতে নির্যাতিত মানুষদের অভাব অভিযোগ শুনতে এবং সমস্যার সুরাহা করার জন্য তাঁরা সন্দেশখালি যাচ্ছিলেন। কিন্তু সন্দেশখালি থেকে প্রায় ৭০ কিলোমিটার দূরেই পুলিশ তাদের আটকে দেয়।
মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ খতিয়ে দেখতে রবিবার ফের সন্দেশখালিতে যায় ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিম। কিন্তু পথেই তাঁদের আটকায় পুলিশ। দলে ছিলেন পাটনা হাইকোর্টের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি এল নরসিমহা রেড্ডি থেকে শুরু করে প্রাক্তন আইপিএস অফিসার, আইনজীবী-সহ ৬ সদস্য। সকালে কলকাতা থেকে রওনা দিয়ে ধামাখালি হয়ে সন্দেশখালির পাত্রপাড়া, মাঝেরপাড়া, নতুনপাড়া, নস্করপাড়ায় যাওয়ার সংগঠনটি সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। এদিন ভোজেরহাটে দিল্লির ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিমকে আটকে দেওয়া হয়। রাস্তায় বসে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন ওই প্রতিনিধি দলের সদস্যরা। টেনেহিঁচড়ে তাঁদের প্রিজন ভ্যানে তোলা হয়। তাঁদেরকে নিয়ে আসা হয় লালবাজারে। কেন সন্দেশখালি যেতে বাধা দেওয়া হচ্ছে, পুলিশের উদ্দেশে সেই প্রশ্ন করতে থাকেন তাঁরা। সন্দেশখালির বিভিন্ন জায়গায় ১৪৪ ধারা জারি থাকার যুক্তি দেখায় পুলিশ। ডিসি সৈকত ঘোষ ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিমের সদস্যদের অনুরোধ করেন, এই মুহূর্তে সন্দেশখালির যা পরিস্থিতি তাতে সেখানে এখন যাওয়া সম্ভব নয়। আইন নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাবে।


