বিধ্বংসী আগুনে ভস্মীভূত হাওড়ার আলমপুর এলাকার তুলোর গোডাউনে। ঘটনাস্থলে দমকলের ৭ টি ইঞ্জিন।

হাওড়াতে ফের বিধ্বংসী অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা। হাওড়ার আলমপুরের জঙ্গল পুড়ে এবং কাপড় গোডাউনে বিধ্বংসী আগুন লাগে। ঘটনাস্থলে এসে পৌঁছয় দমকলের দুটি ইঞ্জিন। তবে গাড়িতে জল শেষ হয়ে যাওয়াতে গাড়ি দুটি ফেরৎ যায়। এখনো আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয় নি। স্থানীয় সূত্রের খবর একটি তুলোর গোডাউনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। কারখানায় ভিতরে দাহ্য পদার্থ বিপুল পরিমাণে মজুত থাকার কারণে আগুন আরো বিধ্বংসী হয়ে ওঠে। আপাতত দমকলের দুটি ইঞ্জিন এসে পৌঁছালেও আরো বেশ কিছু ইঞ্জিনের প্রয়োজন হবে বলে মনে করছেন দমকলের আধিকারিকরা। প্রাথমিকভাবে শর্ট সার্কিট থেকে আগুন লেগেছে কিনা তাও স্পষ্ট ভাবে বোঝা না গেলেও এর পেছনে অন্তঃদ্বন্ধ আছে কিনা তাও খতিয়ে দেখা বলে দমকল সূত্রে খবর। বিপুল অঙ্কের ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে। দুর্ঘটনায় এখনো কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায় নি। ঘনবসতি পূর্ন এলাকায় কারখানাটি হওয়ার কারণে সংশ্লিষ্ট এলাকাতে আতঙ্কের ছায়া পড়েছে। কারখানায় কর্মরত কর্মী বিকাশ বন্দ্যোপাধ্যায় জানান তারা পাশের ওয়ারহাউসে কাজ করছিলেন। হঠাৎ আগুন লাগার কথা শুনে বাইরে বেরিয়ে আসেন। পাশের একটি তুলোর কারখানা রয়েছে। সেখানেই আগুন লেগেছে বলে জানান তিনি। তিনি জানান দমকলের দুটো গাড়ি এলেও জল ফুরিয়ে যাওয়ার জন্য আবার তারা ফেরৎ চলে যায়। এখনো আগুন নেভান সম্ভব হয় নি। যথেষ্ট আতঙ্কেই আছেন তারা। এখানে জলের কোনো উৎস নেই বলেই দাবি করেন তিনি। অপর এক কর্মচারী রাজেশ বলেন তুলো ভর্তি গোডাউনে আগুন লাগে। সেখান থেকেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে। দমকলের গাড়ির জল শেষ হয়ে যাওয়াতে আরো সমস্যা বাড়ে। এখনো আগুন জ্বলছে। দমকলের গাড়ি ফের এলে তারপরে আগুন নেভানোর কাজ শুরু হবে। এর আগে এখানে আগুন লাগার ঘটনা ঘটেনি বলেই দাবি করেন তিনি।
পাশাপাশি আগুন লাগার কারণ তদন্ত সাপেক্ষ বলেই দাবি করেন দমকল কর্মীরা। তবে হতাহতের কোনো তথ্য নেই বলেই জানা যাচ্ছে দমকল সূত্রে। পাশাপাশি তুলো ছাড়া অন্য কোনো ধরণের বিস্ফোরণ ঘটে নি বলেই জানা যাচ্ছে। যদিও ঘটনাকে কেন্দ্র করে কারখানার আশেপাশের বাসিন্দারা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। উল্লেখ্য কয়েক মাসের মধ্যেই বারংবার আগুনের ঘটনা নিয়ে চিন্তিত প্রশাসন। কারখানাতে জলের কোনো উৎস না থাকায় শুধুমাত্র দমকলের জলের গাড়ি একমাত্র ভরসা। আজকে জল শেষ হয়ে যাওয়াতে বাধা পরে আগুন নেভানোর কাজে।

