ঝাঁকে না হলেও দীঘায় উঠলো মরশুমের প্রথম রুপোলি ফসল ইলিশ
নিউজ বাংলা লাইভ : ইলিশ উঠল কি? এ প্রশ্ন সকলের থাকে। এবার মরশুমের শুরুতে সেই ইলিশের দেখা মিলল দীঘা মোহনার বাজারে। তবে সংখ্যায় খুবই কম।

৬১ দিনের ব্যান পিরিয়ড শেষে বুধবার শেষরাতে সমুদ্রে মৎস্য শিকারে বেরিয়েছে প্রায় ৩ হাজার লঞ্চ-ট্রলার। গভীর সমুদ্র থেকে সেগুলি ফিরতে আরও দিন কয়েক সময় লাগবে।অগভীর সমুদ্রে জাল ফেলছে কিছু ছোট নৌকা ও ভুটভুটি। বৃহস্পতিবার তাদের জালে জড়িয়েছিল সীমিত সংখ্যক ইলিশ,পমফ্রেট, চিংড়ি, ভোলা ইত্যাদি।

যা দিয়েই শুরু হয় দীঘা মোহনার মৎস্য নিলাম কেন্দ্রের প্রথম দিনের হাঁকডাক।শুরুর দিন।তাই মাছের বাজারে জমজমাট ভাবটা তেমন ছিল না। মাছের সাপ্লাই কম, তাই সিংহভাগ আড়ৎ খালি। হাতেগোণা কয়েকটা খোলা। সেগুলিতে ইলিশ আছে বটে,তবে সংখ্যায় একেবারেই কম।তাদেরও এক একটির ওজন এক কিলোর আশেপাশে।

গড়ন ও গায়ের রং দেখে বোঝা যায়,ভাল জাতের।পিলে চমকানো দাম। হাজারের ওপর। মধ্যবিত্ত বাঙালির তো ছুঁয়ে দেখার প্রশ্নই নেই।তবুও শান্তি, তবুও স্বস্তি। মনে আনন্দ জাগে,মরশুমের প্রথম রূপোলি ফসল চোখে দেখে।স্মৃতি উস্কে চাগাড় দিতে থাকে রসনার পুরোনো স্বাদ। কিন্তু দাম শোনার পর অনেকেই আড়চোখে আরও একবার ইলিশের দিকে চেয়ে মুখ ফিরিয়েছেন অন্যদিকে।নাগালে পেতে না হয় উচিত আরও কিছুদিনের অপেক্ষা। ইলিশের ঝাঁক জালে ওঠে বৃষ্টি আর পুবালি হাওয়ার যুগলবন্দিতে।সেই আবহাওয়া এখনও তৈরি হয়নি দীঘায়। দ্রুত আবহাওয়া অনুকূল হলেই ইলিশ উঠতে থাকবে জালে। সেই সঙ্গে বাজারে দাম কমার একটা অনুকূল পরিবেশও তৈরি হওয়ার রাস্তা খুলে যাবে বলে মনে করছেন মৎস্যজীবীরা।

