কোলাঘাটে তেলের গুদামে আগুন! বেআইনিভাবে তেল মজুতের অভিযোগ
নিজস্ব প্রতিনিধি, কোলাঘাট: কোলাঘাটে পরপর দুটি জায়গায় আগুন একই দিনে এবং একই সময়ের ব্যবধানে । কোলাঘাটের পানশিলার নোনাচক গ্রামে আগুন লেগে ভষ্মীভূত তেলের গোডাউন। অপরদিকে ওই এলাকার মধ্যেই কোলাঘাটের পানশিলার সাহাপুর গ্রামে দাহ করার চুল্লির কাঠের আগুন থেকে ভয়াবহ আগুন লেগে ভষ্মীভূত বেশ কয়েকটি দোকান।

কোলাঘাটের পানশিলার সাহাপুর এলাকায় দাহ করার চুল্লির পাশে থাকা কাঠ থেকে চটের বস্তার গোডাউন এবং তার পাশে থাকা মোটরসাইকেল গ্যারেজ সহ বেশ কয়েকটি দোকানে আগুন লাগে। ভয়াবহ আগুন দেখে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন এলাকার মানুষজন।

তার পাশের থাকা একের পর এক দোকানে পরপর আগুন লাগতে থাকে । জিনিসপত্র বাঁচানোর মরিয়া চেষ্টা করতে দেখা যায় স্থানীয় মানুষজনদের। দুপুর বারোটা নাগাদ কোলাঘাটের পানশিলার নোনাচকে একটা তেল গোডাউনে আগুন লেগেছিল তার আগুন নিভতে না নিভতেই তার দুই ঘণ্টার ব্যবধানে ফের আগুন লাগল সেখান থেকে ঢিল ছড়া দূরত্বে কোলাঘাটের সাহাপুর গ্রামে।

পুলিশের তৎপরতায় স্থানীয় মানুষজনদের নিরাপত্তা দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে এবং পাশাপাশি থাকা অন্যান্য দোকান এবং কারখানার জিনিসপত্র দ্রুততার সহিত সরানোর ব্যবস্থা করা হচ্ছে। দমকলের চারটি ইঞ্জিন আগুন নিয়ন্ত্রণ করে। প্রথমত দুটি ইঞ্জিন আগুন নিয়ন্ত্রণে না আনতে পারলে ফের দুটি ইঞ্জিনকে নিয়ে আসা হয় তার সাথে যদি জেসিবি দিয়ে ভস্মীভূত দোকানপাট ভেঙ্গে আগুন নেভানোর চেষ্টা চালানো হয়। চটের বস্তার গোডাউন সহ মোটরসাইকেল গ্যারেজ এবং পাশাপাশি দু একটি দোকান ভস্মিভূত হয়ে যায়। মোটরসাইকেল গ্যারেজের প্রায় ৮ লাখ টাকার জিনিসপত্র ক্ষতি হয় তার পাশাপাশি দোকান পুড়ে যাওয়ার ফলে বেশ কয়েক লাখ টাকার জিনিসপত্র নষ্ট হয়।

স্থানীয় মানুষদের অভিযোগ পাশেই রয়েছে একটি শ্মশান সেই শ্মশান থেকেই আগুন লাগে। দাহ করার পর তার বাড়ির লোকজন চলে গেলেও আগুন ঠিকমতো না নেভানোর ফলে এমন ভয়াবহ ঘটনা ঘটে। প্রায় দু’ঘণ্টার উপর সময় গেলেও আগুন নেভাতে হিমশিম খায় দমকল বাহিনী। তমলুক এবং কোলাঘাটের দমকল বাহিনীর মোট চারটি ইঞ্জিন আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে।


