পূর্ব মেদিনীপুর জেলা শাসকের নির্দেশে তড়িঘড়ি সরিয়ে ফেলা হলো জেলাশাসক চত্বরে থাকা অস্থায়ী দোকানঘর।
পূর্ব মেদিনীপুর: সরকারি জমি ‘বেহাত’ হওয়া নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভর্ৎসনার মুখে পড়তে হল রাজ্যের আমলা-পুলিশদের। পাশাপাশিই, পুর ও নগরোন্নয়ন দফতরের কাজ নিয়েও বিরক্তি প্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা। বৃহস্পতিবার নবান্নে সমস্ত পুরনিগমের মেয়র, সমস্ত দফতরের সচিব, অতিরিক্ত সচিব, জেলাশাসক এবং পুলিশকর্তাদের বৈঠকে ডেকেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। নবান্ন সূত্রের খবর, ভূমি দফতরের কর্তাদের উপর ক্ষোভপ্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। প্রশ্ন তুলেছেন, কী ভাবে সরকারি জমি বেহাত হয়ে যাচ্ছে? পুলিশ কেন বিষয়টি দেখছে না, সেই প্রশ্নও বৈঠকে তোলা হয়েছে বলে খবর।
গতকালের পর শুক্রবার পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় দেখা গেল অন্য ছবি, সকাল হতেই দেখা যায় জেলা শাসকের দপ্তরের আশেপাশে যে সমস্ত অস্থায়ী দোকান রয়েছে সমস্ত দোকান সরিয়ে নিচ্ছেন দোকান দারেরা। অস্থায়ী দোকানদারেরা জানান তারা প্রায় সাড়ে তিন বছর ধরে এই জেলা শাসকের দপ্তরের পাশে অস্থায়ী দোকান করে জীবিকা নির্বাহ করছেন। কিন্তু জেলাশাসক নির্দেশ দিয়েছেন এই অস্থায়ী দোকান রাখা যাবে না, তাই দোকানদারেরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে জেলাশাসকের সঙ্গে দেখা করবেন এমনটাই জানান দোকানদারেরা।
এ বিষয়ে অতিরিক্ত জেলাশাসক বলেন দ্রুত দোকানঘর সরিয়ে না নিলে প্রশাসনিকভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।এখন দেখার বিষয় এই অস্থায়ী দোকান জেলা চত্বরে থাকে কিনা।


