চলন্ত বাসে ডাকাতির ঘটনায় পুলিশের সাফল্য
গত ১ লা জুলাই একটি বেসরকারি বাসে ডাকাতির ঘটনায় আতঙ্ক ছড়িয়েছিল এলাকা জুড়ে। কোচবিহার ঘোকসাডাঙ্গা জাতীয় সড়কে দিনে দুপুরে ফিল্মি কায়দায় ডাকাতির ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা নিয়েও উঠেছিল প্রশ্ন। কিন্তু পুলিশ যে চাইলে সবকিছু পারে তা প্রমাণ হল আবার। বেসরকারি বাসে ডাকাতি কাণ্ডের ঘটনায় এক মাসের মধ্যেই পাঁচ জনকে গ্রেফতার করল পুলিশ।
অবশেষে উন্মোচিত হলো ডাকাতি কাণ্ডের রহস্য। পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে রানাঘাট থেকে কোচবিহার এর উদ্দেশ্যে আসা একটি বেসরকারি বাসে আগে থেকেই ডাকাতি পরিকল্পনা ছিল অভিযুক্তদের। বেসরকারি বাসে আনা হচ্ছিল ৫ কেজি রুপোর গহনা। সেই রুপর গহনা লুটপাট করতেই হামলা চালায় দুষ্কৃতীরা। ঘোকসাডাঙ্গা রাইস মিল এলাকায় বেসরকারি বাসে হঠাৎ করেই উঠে পড়েন কয়েকজন দুষ্কৃতি। তাদের হাতে ছিল আগ্নেয়াস্ত্র। বাসের ড্রাইভার এর কেবিনে থাকা কয়েকটি ব্যাগ তুলে নিয়ে ঝড়ের গতিতে চম্পট দেয় তারা। এদিকে খবর দেওয়া হয় পুলিসে।
ছুটে আসে পুলিশ, তবে বাসের যাত্রীদের কোনো রকম ক্ষতি হয়নি। আজ পুলিশ সুপার দুতিমান ভট্টাচার্য একটি সাংবাদিক সম্মেলন করেন। সাংবাদিক বৈঠকে তিনি জানান ওই ব্যাগে ছিল ৫ কেজি রুপোর গহনা। সেটাই টার্গেট ছিল অভিযুক্তদের। ই
তিমধ্যেই পুলিশ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে আটক করা হয়েছে ওই ডাকাতির ঘটনায় বাজেয়াপ্ত একটি গাড়ি। এই গাড়ির ছবি ধরা পড়েছিল সিসিটিভি ক্যামেরা এ ঘটনার দিনেই। পুলিশ সুপার জানান ১ কেজি ৮০০ গ্রাম রুপোর গয়না উদ্ধার হয়েছে। গোটা ঘটনার তদন্ত করছে পুলিশ।

