বারবার সরকারি অফিসের দ্বারে দ্বারে ঘুরে ৭৪ বছর বয়সেও আলিমুদ্দিনের ভাগ্যে জোটেনি বৃদ্ধ ভাতা, চোখের জলে কাতর আবেদন তার।

বারবার সরকারি অফিসের দ্বারে দ্বারে ঘুরে ৭৪ বছর বয়সেও আলিমুদ্দিনের ভাগ্যে জোটেনি বৃদ্ধ ভাতা, চোখের জলে কাতর আবেদন তার। জীবনের শেষ দিনগুলোতে একটু আনন্দে বেঁচে থাকার জন্য বার্ধক্য ভাতার আশায় দিন গুনছেন এক অসহায় বৃদ্ধ। বৃদ্ধের নাম আলিমুদ্দিন। বাড়ি মালদা জেলার চাঁচোল থানার মকদমপুর অঞ্চলের নদীসিক গ্ৰামে। বার্ধক্য ভাতার আবেদন নিয়ে বারবার পঞ্চায়েত, ব্লক ও দুয়ারে সরকারের শিবিরে দরবার করেও এখনো মেলেনি কোনো ভাতা আলিমুদ্দিনের। জানা গেছে, ১৯৪৭ সালে তার জন্ম। বর্তমানে বয়স প্রায় ৭৪ বছর। বাম আমল থেকে বর্তমান তৃনমূল সরকারের আমলে বহুবার আবেদনপত্র জমা করেছেন কিন্তু এখনো এই বৃদ্ধের জোটেনি তার বার্ধক্য পেনশন। তিনবেলা ঠিকমতো জোটেনা তার খাবার, নেই কোনো জমিজমাও। থাকার জন্য রয়েছে একটি ছোটো ঘর। দুই ছেলের দুজনেই পরিযায়ী শ্রমিক, করোনা আবহে তারাও বাড়িতে রয়েছেন কর্মহীন হয়ে। প্রায় আট বছর পূর্বে মারা গেছে স্ত্রী। বর্তমানে শাসকষ্টসহ বিভিন্ন ধরনের বার্ধক্যজনিত রোগে ভুগছেন তিনি। অর্থের অভাবে নিতে পারেন না কোন চিকিৎসা পরিষেবা। দুই ছেলে থাকলেও তারা নিজেরাই নিজেদের সংসার চালাতে হিমশিম খাচ্ছেন। ছেলেরা নিজেই গরীব হওয়ায় কতটুকুই বা দেখবেন বললেন তিনি। জীবনের শেষ প্রান্তে দাড়িয়ে সরকারি ভাতার সুবিধা না পাওয়ায় চোখের জলে আক্ষেপ জানালেন আমাদের সংবাদপ্রতিনিধিকে। এখনও তার আশা যদি সরকার বা প্রশাসন তার ভাতার ব্যবস্থা করে দেয় তবে তার বেঁচে থাকতে একটু সুবিধা হয়।

