নন্দীগ্রামপূর্ব মেদিনীপুর

নন্দীগ্রামে বাড়ছে মেডিক্যাল ক্যাম্পের চাহিদা, ডায়মন্ড হারবারের মতো ক্যাম্প চাইছেন সাধারণ মানুষ

নন্দীগ্রামে বাড়ছে মেডিক্যাল ক্যাম্পের চাহিদা, ডায়মন্ড হারবারের মতো ক্যাম্প চাইছেন সাধারণ মানুষ

নিজস্ব প্রতিনিধি, নন্দীগ্রাম: কেরলে নির্মাণকাজ চলাকালীন দুর্ঘটনায় নন্দীগ্রামের পরিযায়ী শ্রমিক ভীমচরণ বারিকের (৪৬) মৃত্যু নন্দীগ্রামের মানুষের জন্য বয়ে এনেছে একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা। এই মৃত পরিযায়ী শ্রমিক নন্দীগ্রাম-২ ব্লকের বিরুলিয়া গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন এবং বিজেপি পরিচালিত গ্রাম পঞ্চায়েতের ভোটার ছিলেন। তাঁর মৃত্যুতে সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্যোগে মৃতদেহ কেরল থেকে বিমানে কলকাতায় আনা হয়। শুক্রবার রাজ্য মুখপাত্র দেবাংশু ভট্টাচার্য ও জেলা নেতৃত্ব মৃতদেহ নিয়ে বিরুলিয়ায় পৌঁছন। পরিবারকে দু’লক্ষ টাকা আর্থিক সাহায্য দেওয়া হয় এবং পাশে থাকার আশ্বাস দেওয়া হয়। মৃতের বাড়িতে উপস্থিত ছিলেন ব্লক সভাপতি সুনীল জানা সহ স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব।

বিজেপি পরিচালিত এলাকায় শাসক দলের এই সহানুভূতিশীল ভূমিকা সাধারণ মানুষের মধ্যে বিজেপির প্রতি অনাস্থাকে জোরালো করেছে। সেই অনাস্থাই এখন স্থানীয় স্বাস্থ্য পরিষেবা উন্নয়নের দাবিকে আরও তীব্র করে তুলছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঘটনায় নন্দীগ্রামের মানুষ অত্যন্ত কৃতজ্ঞ ও আবেগপ্রবণ। বহু মানুষই বলছেন, “যেমন অভিষেক বাবু ডায়মন্ড হারবারে স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছেন, তেমনই নন্দীগ্রামেও যদি সেই ডায়মন্ড হারবার মডেল বাস্তবায়িত হয়, তাহলে এই অঞ্চলের সাধারণ মানুষও উন্নত চিকিৎসা পরিষেবা পাবেন।” উল্লেখযোগ্যভাবে, এই ঘটনার পরও স্থানীয় বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী বা সাংসদ অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়— কেউই পরিবারের পাশে দাঁড়াননি, যা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা। তাদের এই জমা ক্ষোভই নন্দীগ্রামে মেডিক্যাল ক্যাম্প গড়ে তোলার আবেদনকে আরও দৃঢ় করছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *