পূর্ব মেদিনীপুর

জেলা পুলিশের তৎপরতায় উদ্ধার করা হলো১০০০ কিলোরো বেশি অবৈধ বাজি গ্রেপ্তার ৯

জেলা পুলিশের উদ্যোগে উদ্ধার করা হলো ১০০০ কিলো নিষিদ্ধ বাজি আর সেই বাজি নষ্ট করতে খরচ হয় বিপুল পরিমাণে অর্থ জানালেন জেলা পুলিশ সুপার সৌম্যদীপ ভট্টাচার্য

নিজস্ব প্রতিনিধি:পূর্ব মেদিনীপুর

বিগত বেশ কয়েক বছরে এগরার খাদিকূল,পাশকুড়া, কোলাঘাট।বিভিন্ন সময়ে ভয়াবহ বাজি বিস্ফোরণে এই সমস্ত জায়গায় প্রাণ হারিয়েছেন বহু মানুষ।নিষিদ্ধ বাজির বিরুদ্ধে অভিযানে সদা তৎপর পূর্ব মেদিনীপুর জেলা পুলিশ।বিগত কয়েক দিন ধরেই পূর্ব মেদিনীপুর জেলার বিভিন্ন থানার উদ্যোগে একাধিক জায়গায় এই বাজি অভিযান চলছে। অভিযান ও তল্লাশি চালিয়ে বিপুল পরিমাণ নিষিদ্ধ বাজি ও বাজি তৈরির কাঁচামালও উদ্ধার করেছে পুলিশ। এই অভিযানে এখনও পর্যন্ত মোট ৯ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।জানা গিয়েছে, পাঁশকুড়া, কাঁথি, হলদিয়া, মহিষাদল ও তমলুক থানা এলাকার বিভিন্ন জায়গায় এই তল্লাশি অভিযান চালানো হয়। পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সারা বছর ধরেই নিষিদ্ধ বাজির বিরুদ্ধে অভিযান চলে। তবে দীপাবলির আগে অভিযান আরও তীব্র করা হয়েছে যাতে কোনওভাবেই অবৈধ বাজি তৈরির কারবার চলতে না পারে।

পুলিশ জানিয়েছে, গত সাত দিনেই এক টন বা হাজার কিলোর বেশি নিষিদ্ধ বাজি ও বাজি তৈরির কাঁচামাল উদ্ধার করা হয়েছে। এগরা থানার পুলিশ এখনো অব্দি ৭ লক্ষ টাকার বাজি বাজেয়াপ্ত করেছে,তমলুক থানায় ২৫০ কিলো, নন্দকুমারে ৭৫০ কিলো সহ আরো বিভিন্ন থানায় বাজি উদ্ধার চলছে।এগরায় ২০২৩ সালে বাজি বিস্ফোরণে অনেক মানুষেরই প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। তারপর থেকেই জেলাজুড়ে প্রশাসন ও পুলিশ বিশেষ সতর্ক। সেই ঘটনার পুনরাবৃত্তি যাতে না ঘটে, সেদিকেও কড়া নজর রাখা হচ্ছে।তবে উদ্ধার হওয়া এই বিপুল বাজি নষ্ট করতেও বেশ মোটা অংকের টাকা খরচ হয় জেলা পুলিশের,উদ্ধার হওয়া বাজির পরিমাণ জানাতে হয় কোর্টকে,কোর্ট অর্ডার দিলে হলদিয়ার “র‍্যামকি কোম্পানি”রেডি হয়।জেলা পুলিসকে প্রতি কেজি হিসেবে টাকা পে করতে হয় ওই কোম্পানিকে।প্রতি কিলো বাজি নষ্ট করতে খরচ হয় ৩৮ টাকা ৫০ পয়সা।এমনটাই জেলা পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *