দীঘার জগন্নাথ মন্দির পরিদর্শনে পুরীর মুখ্য দৈতপতি মহারাজ
নিউজ বাংলা ডেস্ক : দীঘা জগন্নাথ মন্দির প্রাণ প্রতিষ্ঠার পূর্বে পরিদর্শনে পুরী জগন্নাথ মন্দিরের মুখ্য দৈতপতি,বিধায়ক সহ বিভিন্ন আধিকারিক।
৩০ শে এপ্রিল জগন্নাথ মন্দিরের প্রাণ প্রতিষ্ঠাতা। দীঘা জগন্নাথ মন্দির প্রতিষ্ঠার পূর্বে পরিদর্শনে এলেন পুরী জগন্নাথ মন্দিরের মুখ্য দৈতপতি শ্রী রাজেশ দৈতপতি মহারাজ,উপস্থিত ছিলেন রামনগরে বিধানসভার বিধায়ক প্রাক্তন মন্ত্রী অখিল গিরি সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন পূর্ব মেদিনীপুর জেলার DM পূর্ণেন্দু মাঝি সহ প্রশাসনিক দপ্তরের দায়িত্ব প্রাপ্ত আধিকারিকগণ। দীঘা জগন্নাথ মন্দিরের প্রতিষ্ঠাতার পূর্বে সমস্ত রকম কাজের পরিস্থিতি পরিদর্শন করলেন এবং পুরাতন ওল্ড দিঘা জগন্নাথ মন্দিরের পাশে মাসির ঘর তৈরি হচ্ছে সেই ঘরটি আর কাজের পরিস্থিতি দেখলেন এবং সাত দিন ধরে মাসির বাড়িতে থাকবেন সেই সাথে রথ থাকার জায়গার কাজের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন।

সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে জেলাশাসক পূর্ণেন্দু মাঝি বলেন আমরা সমস্ত প্রকার কাজের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখলাম এবং রথ রাখার জায়গা ও দেখলাম।
দীঘা জগন্নাথ মন্দিরের প্রাণ প্রতিষ্ঠার পূর্বে পূজা-অর্চনার বিভিন্ন বিষয় দেখেন পুরী জগন্নাথ মন্দিরের মুখ্য দৈতপতি শ্রী রাজেশ দৈতপতি মহারাজ। তিনি বলেন ৯০% কাজ প্রায় শেষ হয়ে গেছে। দ্রুততার সহিত নিয়ম নিষ্ঠা মেনে দীঘা জগন্নাথ মন্দিরের নির্মাণ চলছে। নির্দিষ্ট দিনে ৩০শে এপ্রিল জগন্নাথ মন্দির উদ্বোধন হবে দীঘায়।
পুরীর দৈতপতি মহারাজ দীঘা জগন্নাথ মন্দিরের এলাকা যেমন পরিদর্শন করেন তার সাথে সাথে জগন্নাথ মন্দিরের মাসির বাড়ি এলাকা পরিদর্শন করেন।
সঙ্গে রামনগর বিধানসভার বিধায়ক অখিল গিরি উপস্থিত ছিলেন।
গত বছরের ১১ ডিসেম্বর দীঘা সফরে এসে নির্মীয়মান জগন্নাথ মন্দির পরিদর্শনে যান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়। সেই সময়েই তিনি জানিয়েছিলেন, ২০২৫ সালের এপ্রিলের মধ্যেই মন্দিরের দরজা আমজনতার জন্য খুলে দেওয়া হবে। বুধবার বিশ্ব বঙ্গ বাণিজ্য সম্মেলনের মঞ্চ থেকে সেই প্রতিশ্রুতি মতোই মন্দির উদ্বোধনের দিনক্ষণ ঘোষণা করে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছিলেন, ২০২৫ সালের রথযাত্রার অনুষ্ঠানে সামিল হতে দীঘার জগন্নাথ মন্দিরে আসবেন তিনি। সেক্ষেত্রে অক্ষয় তৃতীয়ার আগে মন্দিরের উদ্বোধন হয়ে গেলে সেখানে পরবর্তীতে রথযাত্রাও পালন করতে পারবেন মমতা।
প্রসঙ্গত, দীঘার এই জগন্নাথ মন্দির নির্মাণ করা হয়েছে পুরীর জগন্নাথের মন্দিরের আদলে। প্রায় ২২ একর জমির উপর গড়ে উঠেছে বিশাল ও বিরাট মন্দির চত্বর। যার জন্য খরচ করা হয়েছে প্রায় ২০০ কোটি টাকা।
প্রত্যেক বছর রথযাত্রার সময় পুরীতে জগন্নাথ, বলরাম ও সুভদ্রার রথ বেরোনোর আগে সোনার ঝাঁটা দিয়ে রাস্তা ঝাঁট দেওয়া হয়। দীঘার জগন্নাথ মন্দিরেও সেই প্রথা পালন করা হবে। এমনকী, এই সোনার ঝাঁটা তৈরির জন্য মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে ৫ লক্ষ টাকা দান করবেন বলেও জানিয়েছিলেন।

